ঈদ সংখ্যা—নস্টালজিয়া আর অনুভূতির এক বিশেষ ঠিকানা।
ঈদ হলো ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের এক বিশেষ উৎসব। ঈদকে ঘিরে কত ধরনের আয়োজন, আত্মীয়স্বজনের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ, মজার মজার সব খানাপিনার সাথে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া। আর পাঠকদের জন্য এই ঈদকে আরও আকর্ষণ করে যখন ঈদ সংখ্যা প্রকাশ হয়। আমার আজও মনে পড়ে ঈদ সংখ্যাকে ঘিরে কত শত নস্টালজিক সময়গুলো। ঈদ সংখ্যায় ছাপা হওয়া নানান গল্প, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, রান্নার রেশিপি থেকে শুরু করে পছন্দের সেলিব্রিটিদের ইন্টারভিউ পড়া। তা কী যে ভালো লাগতো।
ছোটবেলায় এত ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের আনাগোনা ছিলো না, তখন সেলিব্রিটিদের ঈদের আয়োজন সম্পর্কে জানা যেতো ম্যাগাজিন-পত্রিকা পড়ে। বইয়ের সাথে সাথে হরেক রকম ম্যাগাজিন পড়েই আমার সময় কাটতো। তার মাঝে ঈদ সংখ্যা ছিলো বিশেষ অপেক্ষার ফল।
ঈদকে ঘিরে প্রকাশিত বাংলা ঈদ সংখ্যা আমাদের সংস্কৃতির এক অনন্য অংশ। এটি শুধু একটি পত্রিকা বা ম্যাগাজিন নয়, বরং গল্প, অনুভূতি আর স্মৃতির এক রঙিন ভাণ্ডার। প্রতি বছর ঈদ আসার আগে এই সংখ্যাগুলোর জন্য এক ধরনের আলাদা অপেক্ষা কাজ করে যা ছোটবেলা থেকেই আমার মতো অনেকের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।
আগে নতুন জামার মতোই ঈদ সংখ্যাও ছিল ঈদের আনন্দের একটি বড় অংশ। বই-পত্রিকার দোকানে গিয়ে নতুন প্রকাশিত সংখ্যা খোঁজা, পছন্দের লেখকের লেখা আগে পড়ার চেষ্টা কিংবা পরিবারের সবার সঙ্গে বসে একসাথে পাতা উল্টানো—এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই ধীরে ধীরে তৈরি করে এক গভীর নস্টালজিয়া। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হয়তো অনেক কিছু বদলে গেছে, কিন্তু ঈদ সংখ্যার প্রতি সেই টান এখনো অটুট…